‘মেয়েরা জিন্স পড়ছে, তাই ভূমিকম্প হচ্ছে’

ভূমিকম্পের আসল কারণটা যাই হোক না কেনো, সে বিষয়ে এর আগে অনেকেই অনেক রকমের বিচিত্র মতামত দিয়েছেন। কেউ বলেছেন গরু খাওয়ার ফলেই নাকি কেঁপে উঠছে মাটি, কেউ বলেছেন নির্দিষ্ট ধর্মের ছাতার তলায় না গেলে এভাবেই ঈশ্বরের রোষানলে পড়তে হয় !

অতঃপর এবার নতুন এক আজগুবি তত্ত্বের হদিস পাওয়া গেলো।

ইসলামাবাদে একটি সংবাদ সম্মেলনে জামিয়াত উলেমা-ই-ইসলামী ফজল (JUI-F)-এর মুখ্য মওলানা ফজলুর রহমান বলেছেন, মেয়ে‍রা জিন্সের প্যান্ট পর‍ার কারণেই নাকি বিশ্বজুড়ে ঘটছে ভূমিকম্পের মত একের পর এক ভয়ানক সব বিপর্যয় !

তিনি দাবী করেন, পাক সরকার যেনো সশস্ত্র বাহিনীর মাধ্যমে এখনই একটি মিলিটারি অপরেশন করে সে দেশে মহিলাদের জিন্স পরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। তাঁর মতে, মেয়েদের অশোভন আচরণ শুধু ভূমিকম্প নয়, মুদ্রাস্ফীতিরও কারণ ! যে মেয়েরা নিজেদের ময়দার বস্তার মত ঢেকে রাখেনা, তারা আসলে মানবসভ্যতা ধ্বংসের মোবাইল অস্ত্র। এমনটাই মনে করেন ফজলুর রহমান নামে জনৈক এই মহাজ্ঞানী ব্যক্তি।

পাকিস্তানের বিদ্যুতের সংকট, নিরাপত্তা ধ্বংস এমনকি বেলুচিস্তানের সমস্যার পেছনেও মেয়েদের অশালীন কাপড় ও অশোভন আচরণকে দায়ী করেছেন জেইউআইএফ প্রধান।

“নারীদের বস্তায় পুরে বাড়ির মধ্যে রেখে দিয়ে দেশে শরিয়াহ আইন চালু করলে তালিবানি ভাইরা আর পাকিস্তান আক্রমণ করবেনা” – এটাই তার ভাষ্য !

২০০৩ সালের ডিসেম্বরে ইরাকের সাবেক প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন মার্কিন বাহিনীর কাছে ধরা পড়েন। সে সময় মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর কর্মকর্তা জন নিক্সন তাঁকে শনাক্ত ও জেরা করেন।

১৯৯৮ সালে সিআইএতে যোগ দেওয়ার পর থেকে সাদ্দাম হোসেনের বিষয়ে বিশেষভাবে তত্ত্ব-তালাশ চালাতেন নিক্সন। তাই সাদ্দামকে জেরা করার জন্য তাঁরই ডাক পড়ে।

সাদ্দাম হোসেনের জীবদ্দশায় একটি কথা বেশ চালু ছিল যে নিরাপত্তার জন্য একই চেহারার কয়েকজন সাদ্দাম ছিলেন। তবে নিক্সন বলেন, ‘তাঁকে দেখার পর আমার সাদ্দামকে চিনতে একটুও কষ্ট হয়নি। আমি নিশ্চিত ছিলাম, এই মানুষটিই সাদ্দাম। আমার ডেস্কে অনেক বছর ধরে পড়ে থাকা একটি বইয়ে সাদ্দামের যে মুখভঙ্গি রয়েছে, আলাপ শুরু করার পর দেখি, সেই একই মুখ।’

নিক্সনই প্রথম ব্যক্তি, যিনি সাদ্দামকে জেরা করেছিলেন। তবে সেই জেরা করার মুহূর্তটি সিআইএর এই কর্মকর্তার কাছে ছিল বিস্ময়কর। তিনি বলেন, ‘আমি নিজের গায়ে চিমটি কেটে নিশ্চিত হয়েছিলাম যে আমিই বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফেরারি মানুষটিকে জেরা করছি। আমার কাছে একেবারে আজগুবি ঠেকেছিল বিষয়টি।’

নিক্সন বলেন, নানা বিপরীতমুখী বৈশিষ্ট্য ধারণ করেছিলেন সাদ্দাম হোসেন নামের মানুষটি। নিক্সন সাদ্দামের ‘মানবিক দিক’ দেখেছিলেন। তিনি বলেন, মার্কিন গণমাধ্যমে সাদ্দামকে যেভাবে তুলে ধরা হয়, এটি তার একেবারে বিপরীত। নিক্সন আরও বলেন, ‘আমি এযাবৎ যত মানুষকে জেরা করেছি, এর মধ্যে সবচেয়ে বিস্ময়কর চরিত্র ছিলেন সাদ্দাম। তিনি চাইলেই চমৎকার, নম্র আচরণ করতেন। কৌতুকবোধও ছিল তাঁর মধ্যে।’

সাদ্দাম চরিত্রের এসব বৈশিষ্ট্যের পাশাপাশি নিক্সন তাঁর অন্ধকার দিকের দিকেও আলোকপাত করেন। তিনি বলেন, মাথা গরম হয়ে গেলে সাদ্দামের প্রচণ্ড বদরাগী, অসভ্য ও নীচু মানসিকতার চরিত্রটি প্রকাশ হয়ে পড়ত।

নিক্সন বলেন, ‘দুই বা তিনবার আমার প্রশ্ন সাদ্দামের এই চরিত্র জানান দিয়েছিল।’

একটি ছোট কক্ষে বন্দী সাদ্দামকে জেরা করেন নিক্সন। একটি চেয়ারে তাঁকে বসতে দেওয়া হয়েছিল। জেরার সময় শুধু নিক্সন, জবানবন্দি ধারণকারী এবং একজন দোভাষী থাকতেন।

জেরার শুরুতেই সাদ্দামের সঙ্গে একটি সুসম্পর্ক গড়ে তোলেন নিক্সন। শুরুটা ভালোই হয়েছিল। তবে ক্রমেই সাদ্দাম অনেক বেশি ধন্দ সৃষ্টি করতে শুরু করেন।

জেরার একটি বড় অংশজুড়ে ছিল গণবিধ্বংসী অস্ত্র (ডব্লিউএমডি)। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য এ যুদ্ধ শুরুর আগে সাদ্দামের বিরুদ্ধে এ অস্ত্র তৈরির অভিযোগ এনেছিলেন। নিক্সন বলেন, এ বিষয়টির প্রতিই হোয়াইট হাউসের মূল আকর্ষণ ছিল। তবে সাদ্দামকে জেরা, তাঁর উপদেষ্টাদের সঙ্গে আলোচনা এবং বিভিন্ন গবেষণা থেকে জানা যায়, সাদ্দাম তাঁর দেশের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির প্রকল্প বন্ধ করে দিয়েছিলেন এ যুদ্ধের কয়েক বছর আগেই। আর এ কার্যক্রম শুরুর কোনো ইচ্ছেও তাঁর ছিল না।

সাদ্দামকে জেরার করার পাঁচ বছর পর ২০০৮ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশকে সেই জেরা সম্পর্কে জানানোর ডাক পান তিনি। নিক্সন হলেন সেই ব্যক্তি, যিনি বুশ ও সাদ্দাম – দুই ব্যক্তির সঙ্গেই করমর্দন করেছিলেন। তবে নিক্সন বলেন, প্রেসিডেন্ট বুশ বাস্তবতা থেকে অনেক দূরে ছিলেন। সিআইএর কর্মকর্তা নিক্সন বলেন, সাদ্দামকে উৎখাতের পর ইরাকে যা ঘটেছে, তা নিয়ে তিনি লজ্জিত।

হত্যার আগে পর্ন দেখিয়ে কয়েকবার ধর্ষণ করা হয় মনিকাকে

ভারতীয় সুগন্ধি বিশেষজ্ঞ মনিকা ঘুর্দে হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত নিরাপত্তা কর্মী রাজ কুমারকে জেরা করে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে।

জিজ্ঞাসাবাদে রাজ কুমার পুলিশকে জানিয়েছে, মনিকার প্রতি তার আসক্তি ছিল। অনেক দিন ধরেই তাকে অনুসরণ করত সে। সানগোলদায় যে ফ্ল্যাটটি মনিকা কিনেছিলেন সেখানে আগে থেকেই লুকিয়ে ছিল রাজ কুমার। ঘটনার দিন সন্ধেবেলায় মনিকা যখন ফ্ল্যাটে ঢোকার পরই রাজ কুমার দরজা নক করে। নিজেকে সিকিউরিটি সুপারভাইজার বলে পরিচয় দেয়। মনিকা দরজা খুলতেই রাজ কুমার জোর করে ঘরের মধ্যে ঢুকে পড়ে। পরে তার গলায় ছুরি ধরে জবরদস্তি করার চেষ্টা করে রাজ কুমার। মনিকা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন, কিন্তু তার সঙ্গে কুলিয়ে উঠতে পারেননি। ধস্তাধস্তির মধ্যে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন মনিকা। তখন তাকে বিছানায় শুইয়ে হাত পা বেঁধে ফেলে রাজ কুমার।

এখানেই শেষ নয়। আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে রাজ কুমার। ধর্ষণ করার আগে মনিকাকে পর্ন ক্লিপিং দেখায়। তারপর বেশ কয়েক বার ধর্ষণ কর‍া হয় তাকে। এর পর মনিকাকে গলা টিপে, বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করে রাজ কুমার। পুরো ঘটনাটা খুব ঠাণ্ডা মাথায় করেছে বলে দাবি পুলিশের।

গত ৬ অক্টোবর ভারতের গোয়ার সানগোলদার একটি ফ্ল্যাটের ভিতর থেকে মনিকার দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, মনিকা রাজ কুমারকে তার টাকা, গয়না সব কিছু দিয়ে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু তাতে রাজি হয়নি সে। এর পর মনিকার এটিএম কার্ড, পিন নম্বর এমনকী মোবাইলও নিয়ে নেয় রাজকুমার। তার পর সেই মোবাইল থেকেই মনিকাকে পর্ন ক্লিপিং দেখায়। এরপর তার পায়ের বাঁধন খুলে ধর্ষণ করা হয়।

মনিকার দেহ উদ্ধারের পর পুলিশ তদন্তে নেমে অভিযুক্তের হদিস পায়। মনিকার এটিএম কার্ড ব্যবহার করে বেশ কিছু জিনিস কেনে রাজ কুমার। সেই সূত্র ধরেই রাজ কুমারের সন্ধান পায় পুলিশ। তাকে সেখান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

কেন এই কাজ করল রাজ কুমার?

গোয়া পুলিশ জানিয়েছে, প্রতিহিংসা এবং লালসার বশেই এই কাজ করেছে সে। রাজ কুমারকে আগে থেকেই চিনতেন মনিকা। হরিয়ানা থেকে বি কম প্রথম বর্ষ শেষ করার পর এপ্রিলে গোয়ায় চলে আসে রাজ কুমার। সেখানে একটা নিরাপত্তা সংস্থার অধীনে কাজ নেয়। যে আবাসনে রাজ কুমার নিরাপত্তা কর্মীর কাজ করত সেই আবাসনেই এক দিন ফ্ল্যাটের খোঁজ করতে আসেন মনিকা। আবাসনের গেটে রাজ কুমারের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়। কোন কোন ফ্ল্যাট ফাঁকা আছে সেই খবরও মনিকাকে দেয় রাজ কুমার। কিছু দিন পর থেকেই সেখানে একটি ফ্ল্যাটে থাকতে শুরু করেন মনিকা।

পুলিশের কাছে রাজ কুমার স্বীকার করেছে, প্রথম দিন দেখার পরেই মনিকার প্রতি তার আসক্তি তৈরি হয়। তার উপর নজর রাখা শুরু করে সে। মনিকা যে একাই ওই ফ্ল্যাটে থাকতেন সেটা জানতে পারে রাজ। গত ২২ জুলাই মনিকা-সহ আবাসনের কয়েক জন বাসিন্দার অভিযোগের ভিত্তিতে কাজ খোয়ায় সে। অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য মনিকার উপর চাপ দেয় রাজ কুমার। কাজ হারিয়ে ক্ষোভে এবং হতাশায় প্রতিশোধ নেওয়ার পরিকল্পনা করে রাজ কুমার। সহজ শিকার বানায় মনিকাকে। ধর্ষণ করা ও তার পরবর্তী তদন্ত প্রতিবেদন আসছে।

মাকে ছাড়া ভালো কাটছেনা রিয়াজের জন্মদিন

তাকে বলা হয় ঢাকাই ছবির ক্রান্তিলগ্নের ক্যাপ্টেন হিরো। সেই ডিপজল-মান্নার অশ্লীল যুগে যখন ডুবতে বসেছিলো চলচ্চিত্র শিল্পের মান তখন রিয়াজ হাল ধরেছিলেন একাই।

 

তিনিই মধ্যবিত্ত ও শিক্ষিত শ্রেণির দর্শকদের হলে ধরে রেখেছিলেন শাবনূর-পূর্ণিমার সাথে জুটি বেঁধে। উপহার দিয়েছিলেন ‘শ্বশুড়বাড়ি জিন্দাবাদ’, ‘দুই দুয়ারী’, ‘জামাই শ্বশুড়’, ‘প্রেমের তাজমহল’, ‘পাগল তোর জন্য’, ‘সুন্দরী বধূ’, ‘মনের মাঝে তুমি’, ‘দারুচিনি দ্বীপ’, ‘আকাশ ছোঁয়া ভালবাসা’, ‘হৃদয়ের কথা’, ‘মোল্লা বাড়ির বউ’ এর মতো ব্যবসা সফল এবং আলোচিত বহু চলচ্চিত্র।

Like actor Riaz’s fb fan page

আজ প্রিয় এই অভিনেতার জন্মদিন। তবে এবারের জন্মদিনে হার্টথ্রব নায়ক রিয়াজের মন খারাপ। কারণ গত সেপ্টেম্বরের ৩ তারিখ তার মা মৃত্যুবরণ করেন। এরপর থেকে প্রতি মুহূর্তে মাকে মিস করছেন রিয়াজ। আর আজকের জন্মদিনে বেশি করেই তার মায়ের কথা মনে পড়ছে।

 

বুধবার (২৬ অক্টোবর) সকালে এটিএন টোয়েন্টিফোর অনলাইন এর সঙ্গে তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্ত এই নায়ক বলেন, ‘মাকে ছাড়া এবারই প্রথমবার আমার জন্মদিন কাটছে। মাকে ছাড়া ভীষণ অসহায় লাগছে। আমার জীবনের হয়তো সবচেয়ে খারাপ জন্মদিন যাচ্ছে এবার। কারণ মাকে ছাড়া আমার জন্মদিন কখনই পালন করা হয়ে ওঠেনি।’

 

রিয়াজ আরো বলেন, ‘মায়ের কবর জিয়ারত করতে বিকেলের ফ্লাইটে যশোর যাবো। কারণ সেখানেই মাটিতে ঘুমিয়ে আছেন আমার মা। আল্লাহ যেন আমার মাকে বেহেস্ত নসীব করেন। সবার কাছে আমার এবং আমার মায়ের জন্য দোয়া চাই।’

 

এদিকে, রিয়াজের স্ত্রী তিনা এবং তার একমাত্র কন্যা আমিরাও বর্তমানে দেশে নেই। তারা এখন অস্ট্রেলিয়াতে আছেন। আগামী মাসেই দেশে ফিরবেন তারা- বললেন রিয়াজ।

 

রিয়াজের পুরো নাম রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ। জন্ম ১৯৭২ সালের ২৬ অক্টোবর ফরিদপুর জেলা সদরের কমলাপুর মহল্লায় একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে। বেড়ে উঠেছেন ফরিদপুর সিএনবি স্টাফ কুয়ার্টার্সে। বাবা মৃত জাইনুদ্দিন আহমেদ সিদ্দিক একজন সরকারী কর্মকর্তা ছিলেন ও মাতা আরজুমান আরা বেগম একজন সু-গৃহিণী। রিয়াজের বড় ছয় বোন, জিন্ন্যা আরা, সুলতানা জাহানারা সিদ্দিক, সুলতানা রওনক আরা, সুলতানা রওশন জামিল, সুলতানা সালমা শাহীন ও সুলতানা ফাতেমা শিরিন। পরিবারের কনিষ্ঠ সন্তান রিয়াজ আহমেদ ২০০৭ সালের ১৮ ডিসেম্বর ২০০৪-এর বিনোদন বিচিত্রার ফটো সুন্দরী প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ সুন্দরী হিসেবে নির্বাচিত মডেল মুশফিকা তিনা’র সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।

 

নন্দিত চিত্রনায়ক রিয়াজকে জাগো নিউজের পক্ষ থেকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা এবং ৪৫তম বছরে অভিনন্দন। আরো অনেকদিন তিনি বেঁচে থাকুন ঢাকাই ছবির প্রয়োজনে।

তিন ফুট বাড়ছে সাগরের পানি !

পৃথিবীর উষ্ণতা প্রতিনিয়তই বাড়ছে, এট‍া নতুন কোনো বিষয় নয়। তবে দুশ্চিন্তার মত নতুন বিষয়টি হচ্ছে, তিন ফুট বাড়ছে সাগরের পানি , তাও আবার শুধুমাত্র পৃথিবীর উষ্ণতা বাড়ার ফলে !

 

ইদানিং যত দ্রুত পৃথিবীর উষ্ণতা বাড়ছে, গত এক হাজার বছরেও ততটা বাড়েনি। আর এত দ্রুত বাড়ছে যে, গত বছর বিশ্ব নেতৃবৃন্দ উষ্ণতা বৃদ্ধির হার যে পর্যায়ে রাখার ব্যাপারে একমত হয়েছিলেন, সেই পর্যায়ে রাখা মনে হয় সম্ভব হবে না। এরই মধ্যে তার চিহ্ন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এ বছর সারা পৃথিবীতে প্রচণ্ড গরম পড়ে এবং আমরা সকলেই তা বেশ ভালোভাবেই অনুভব করেছি।

 

১৯ শতকে সারা পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ১ দশমিক ৩৮ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড বৃদ্ধি পায়। সবচেয়ে ভয়ঙ্কর কথা এই তাপমাত্রা বিপজ্জনক মাত্রার একদম  কাছাকাছি। এতে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যেতে পারে তিন ফুট।

 

বিশ্ব নেতৃবৃন্দ এই বিপজ্জনক মাত্রা ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস নির্ধারণ করেছেন প্যারিসে অনুষ্ঠত জলবায়ু সংক্রান্ত বৈঠকে। কিন্তু এই জুলাই মাসেই চরম আকার নেয়। এমনকি শীত প্রধান দেশের মানুষও অস্থির হয়ে ওঠে সে মাসে।

 

বিপিএলের টিকেট সংগ্রহ করুন এখান থেকে‍ঃ BPL Live TV

ফেসবুকের আলোচিত ডিএসইউ (DSU) গ্রুপের ৩ এডমিন গ্রেপ্তার

অবশেষে গ্রেপ্তার হলো বহুল আলোচিত ডেসপারেটলি সিকিং আনসেনসর্ড (DSU) গ্রুপের তিন এডমিন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দীর্ঘদিন ধরে পর্নোগ্রাফি ছড়ানো, উস্কানিমূলক ও অশ্লীল বক্তব্য এবং নানাভাবে মেয়েদের হয়রানির অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

প্রতিষ্ঠার পর থেকে তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার করে আসছে ডেসপারেটলি সিকিং আনসেনসরড Desperately Seeking-Uncensored(DSU) নামের ওই ফেসবুক গ্রুপের সদস্যরা। তারা বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও দেশের কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্রীদের ব্যক্তিগত ভিডিও ফাঁস এবং অন্যের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে পর্নোগ্রাফি প্রচার করত। এসব অভিযোগে ওই গ্রুপের সক্রিয় ৩ এডমিনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার কর‍া হতে পারে আরো ১৬০ জন সক্রিয় সদস্যকে। দীর্ঘদিন যাবৎ এদের উপর নজরদারি করে এদের কার্যকলাপ দেখা হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান যুগ্ম কমিশনার (ডিবি) আব্দুল বাতেন। তিনি বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তথ্য প্রযুক্তির অপব্যবহারের দায়ে ডিএমপি’র কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের স্পেশাল অ্যাকশন গ্রুপ তাদের গ্রেফতার করে।

 

গত বুধবার দুপুরে কলাবাগান থানার গ্রীনরোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয় জুবায়ের আহম্মেদ (২১), তৌহিদুল ইসলাম অর্নব (১৯) ও মো. আসিফ রানা (১৮) নামে ডিএসইউ’র ৩ অ্যাডমিন সদস্যকে। এ সময় তাদের নিকট থেকে কম্পিউটার হার্ডডিস্ক ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

 

তিনি আরো বলেন, এই গ্রুপের সদস্য সংখ্যা ১ লক্ষ ২২ হাজার। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দেশের মেয়েদের প্রতি তথ্য প্রযুক্তির অপব্যবহার করে সাইবার অত্যাচার চালিয়ে আসছিল গ্রুপটি। আব্দুল বাতেন বলেন, গ্রুপটিতে ১৮/২০ রয়েছে শুরু এডমিন দেখার জন্য। মালয়েশিয়া থেকে রাহুল চৌধুরীই মূলত এই ফেসবুক গ্রুপটি পরিচালনা করে থাকেন। তিনি জানান, অবাধে ব্যক্তিগত আক্রমন, লাইভ পর্নসহ যৌনতার বিকৃত বহিঃপ্রকাশ চলে। তারা যে কোন অপরিচিত মানুষের ছবি, গোপনে ধারণকৃত ভিডিও লিংক ফেসবুকে শেয়ার করে তাতে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে। এদের দ্বারা সমাজের প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তি, অভিনেতা, অভিনেত্রী থেকে শুরু করে সাধারণ জনগন অনলাইনে লাঞ্চনার শিকার হচ্ছেন।

 

এই ডিএমপি কর্মকর্তা জানান, এই কাজে তাদের একটি বিশাল ওয়েব সাইট রয়েছে। ইদানিং এই গ্রুপটি ঢাকা মেডিকেল কলেজে পড়ুয়া এক মেয়ের ব্যক্তিগত ভিডিও অনলাইনে ফাঁস করে দেয়। মেয়েটির পরিচয় ও তার ভিডিওর লিংক এক লক্ষ বাইশ হাজার সদস্যের এই বিশাল গ্রুপ হতে একের পর এক শেয়ার হয়ে ফেসবুকে মূহুর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। তিনি বলেন, গ্রুপটির বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু করে কাউন্টার টেরোরিজম। প্রাপ্ত গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গ্রুপের এডমিনের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের গ্রেফতারে অভিযান পরিচালিত হয়। গতকাল দুপুর পর্যন্ত ঢাকার কলাবাগান থানাধীন গ্রীনরোডস্থ পান্থপথের ১৫২/৭ নম্বর বাড়ির ৬ষ্ঠ তলার ফ্ল্যাটে অভিযান পরিচালনা করে ৩ জন এডমিনকে গ্রেফতার করা হয়।

 

তিনি আরো বলেন, ফেসবুক পেইজটি বন্ধ করার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি ডিএসইউ এর মূল ওয়েবসাইটটি বন্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

আমাদের অনেকেই মনেই একটি প্রশ্ন রয়েছে। সেটি হচ্ছে ছেলেদের নুন‍ু খাওয়া কি হালাল না হারাম? ‍নুনু খাবার সময় ছেলেদের বীর্য বের হয়। যদি এই বীর্য মুখে যায়, তাহলে কি ক্ষতি হবে? ইসলাম ও বিজ্ঞান এ সম্পর্কে কি বলে? উত্তর জানতে বিস্তারিত পড়ুন।

 

বীর্য এক প্রকার নাপাক পানি। আর নাপাক জিনিস হারাম এর অন্তর্ভুক্ত, তাই খাওয়া কখনোই উচিত হবে না। খেতে চাইলে সব খাওয়া যায়। এটা খাওয়া রুচিহীনের পরিচায়ক। এছাড়া এটা অবশ্যই এড়িয়ে যাওয়া কর্তব্য। প্রথমত, এটা বিকৃত যৌনাচার। দ্বিতীয়ত, এর মাধ্যমে সবচেয়ে সহজে এবং দ্রুত STD বা যৌন-সংক্রান্ত জীবাণু ছড়ায়। কারণ, সরাসরি পেটে যাচ্ছে। তারপর সেখান থেকে সরাসরি রক্তে। পশ্চিমা বা ঐরকম দেশে তৈরী এরকম যেসব তথ্য দেখা যায় তার সবই ভুয়া এবং নিছক ব্যবসাকেন্দ্রিক। লেজকাটা শেয়াল চায় যাদের লেজ আছে তাদেরটাও যেন কাটা পড়ে। ধর্মীয় পণ্ডিতগণ বলেন হারাম।

 

ইসলামে এটা হারাম কারন মানুষের শরীরের জন্য যেটা ক্ষতিকর সেটা করা বা খাওয়া হারাম ,এটা কুরআন দ্বারা স্পষ্ট ।আপনি বিশ্বাস না করলে দেখুন ইন্টারনেটে, কত মানুষ নুনু থেকে নির্গত বীর্য মুখে নিয়ে এবং ওরাল সেক্স করতে গিয়ে ভয়াবহ রোগের শিকার হয়েছে। যারা বলে এটাতে প্রোটিন আছে, পুষ্টিকর, খাওয়া যায়। তারা আসলে মূর্খ।

 

তাছাড়া বীর্যে প্রোটিনের পরিমান খুব কম । শুকুরের মধ্যেও প্রোটিন আছে আমরা মুসলিমরা কিন্তু শুকুর খাই না কারন এটা ক্ষতিকর এবং হারাম । তাছাড়া বীর্য ক্ষতিকর। সেটাতে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শুক্রানু থাকে, এটা মানুষের খাদ্য নয় , এটা দিয়ে মানুষ তৈরী হয় । . তাছাড়া যৌনাঙ্গে দুই একবার চুমু খাওয়া এবং চোষন বা বীর্য পান কিন্তু এক না, দুই একবার চুমু খাওয়া যেতে পারে কিন্তু চোষন বা বীর্যপান হারাম ।

 

ছেলেদের বীর্য আসলে খাওয়া যায় না বা খাওয়া উচিত না। নীল ছবিতে অনেকটা এক্সপোজ করার জন্যই নীল নায়িকারা তা করে থাকেন কেননা নীল ছবি তৈরি অনেকটা প্রতিযোগিতানির্ভর। যার ছবিতে যত বেশি আকর্ষণীয় ও চাঞ্চল্যকর বিষয় থাকবে তার ছবি তত বেশি হিট হবে। তাই নীল ছবিগুলোতে সচরাচর এই চিত্রগুলো দেখা যায়। এছাড়া কোনো মেয়ে যদি কোনো পুরুষের নুনু থেকে বীর্য পান করে তাহলে তার গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

 

যার নুনু খাওয়া হচ্ছে বা বীর্য পান করা হচ্ছে যদি ওই পুরুষের কোন যৌন রোগ থাকে বা সে যদি অপরিচ্ছন্ন জীবনযাপন করে থাকে সেক্ষেত্রে বিভিন্ন যৌনরোগ এমন কি মুখে ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে। সার্বিক বিবেচনায় যৌনরোগ বা ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার চেয়ে তা প্রতিরোধ করাই বিজ্ঞতার পরিচায়ক। ধর্মীয় বিধি নিষেধে এরকম কাজ এবং ওরাল সেক্স করতে নিরুতসাহিতকরা হয়েছে। একে অস্বাভাবিক ও অনুচিত বলেছেন প্রায় সবাই। যদিও ডাক্তারদের ভেতরে এ নিয়ে মতভেদ আছে। খুব কম সংখ্যক ডাক্তার বলেন যে এতে কোন ক্ষতি নেই যেহেতু বীর্যে মূলত প্রোটিন থাকে কন্তু এই পরিমান প্রোটিনে মানুষের শরীরের কোন উপকার হয় না।

 

কিন্তু পুরো বিষয়টি সৃষ্টির শ্রেষ্ঠজীব হিসেবে আমাদের নিজেদেরই বুঝে নিতে হবে। কারণ, আজকাল পত্রিকার পাতা খুললেই দেখা যায় বিশ্বের নামী দামী সিনেমা তারকারা নুনু খেতে গিয়ে একসময় মুখের নানা প্রকার মারাত্মক সব ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছে। অন্তত তাদের থেকে আমাদের শিক্ষা নেয়া উচিত। – রেডিও টুডে

‘হিজড়া’ খুনের বিচারের দাবী জানাতে ঢাকায় জড়ো হচ্ছে সারাদেশের কয়েকলাখ হিজড়া !

‘হিজড়া’ খুনের বিচারের দাবী জানাতে ঢাকায় জড়ো হচ্ছে সারাদেশের কয়েকলাখ হিজড়া !

 

এবার হিজড়ানেতা খুন হবার তিনদিনেও কেউ গ্রেপ্তার না হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছে বাংলাদেশ হিজড়া কল্যাণ ফাউন্ডেশন। ইতিমধ্যেই সারাদেশ থেকে হিজড়াদের সংঘগুলো ঢাকা এসে দলবেধে যোগ দিচ্ছে এই আন্দোলন সমাবেশে !

 

শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আবিদা সুলতানা মিতু এই আবেদন জানান। তিনি বলেন, “হায়দার হিজড়াকে গ্রামের বাড়িতে সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে খুন করেছে। খুনিরা এখনো গ্রেপ্তার হয়নি। আমরা কোনো বিচারই পাচ্ছিনা। তাহলে তৃতীয় লিঙ্গ হিসেবে সরকার আমাদেরকে কেন স্বীকৃতি দিলো?

 

গত ১৪ অক্টোবর জামালপুরের ইসলামপুরে নিজের বাড়িতে বাংলাদেশ হিজড়া-কল্যাণ ফাউন্ডেশনের জেনারেল কমিটির সহসভাপতি হায়দার হিজড়াকে একদল সন্ত্রাসী এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে। তিনি রাজধানীর মগবাজারের হিজড়া গোষ্ঠির ‘গুরু মা’ হিসেবেও দায়িত্বরত ছিলেন।

 

হিজড়া সংগঠনের উপদেষ্টা মেজবা হিজড়া বলেন, “বিভিন্ন সময় গণজাগরণ মঞ্চ বিভিন্ন অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে। এবারো জানাবে। প্রয়োজনে ইমরান এইচ সরকারকে নিয়ে শাহবাগে গিয়ে ন্যায্য বিচার ছিনিয়ে আনা হবে। হায়দার হিজড়াকে যারা হত্যা করেছে, তাদের ফাঁসি হতেই হবে। এরা মানুষের শত্রু, হিজড়াদের শত্রু, এরা মানুষরূপী পশু।”

 

এরপর ১০০০ হিজড়ারা সম্মিলিত হয়ে মিছিল করে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে হিজড়া কল্যাণ ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ে যান।

আমাকে সবাই অশ্লীল নায়িকা বলে, বিষয়টি ঠিক না : মুনমুন

বাংলা চলচ্চিত্রের অশ্লীল সময়ের নায়িকা হিসেবেই পরিচিত নায়িকা মুনমুন সম্প্রতি বলেছেন, আমাকে সবাই অশ্লীল নায়িকা বলে থাকলেও বিষয়টি ঠিক না।

 

মুনমুন বলেন, আমি ২০০৩ সালে চলচ্চিত্র থেকে বিদায় নিয়েছিলাম। তখন অশ্লীলতা বলে কিছু ছিল না। আমি চলচ্চিত্র থেকে বিদায় নেওয়ার পর মূলত শুরু হয় অশ্লীলতা। আমি সংসার জীবনের জন্য অনেক দিন অভিনয় থেকে বিরত ছিলাম।

 

দীর্ঘদিন পর আবারো নাগিন হয়ে ফিরছেন মুনমুন । ছবির নাম ‘দুই রাজকন্যা’। এরই মধ্যে এ ছবির প্রথম ধাপের কাজ শেষ হয়েছে।

 

১৯৯৬ সালে প্রয়াত গুণী নির্মাতা এহতেশামের ‘মৌমাছি’ ছবি দিয়ে চলচ্চিত্রে ক্যারিয়ার শুরু করে টানা ৮০টিরও বেশি ছবিতে কাজ করেছেন তিনি। এর মধ্যে অধিকাংশ ছবিই সুপারহিট হয়। নিজের অভিনীত অন্যান্য ছবির পাশাপাশি সাপ নিয়ে নির্মিত কিছু ছবিতে অভিনয় করে বেশ আলোচিত হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী। ‘বিষে ভরা নাগিন’, ‘বিষাক্ত নাগিন’, ‘দুই নাগিন’ ছবিগুলোতে তাকে এমন চরিত্রে দেখেছেন দর্শক।

 

মুনমুন বলেন, “বিরতি কাটিয়ে তিনটি ছবিতে কাজ করছি। এর মধ্যে ‘দুই রাজকন্যা’ ছবিতে একজন নাগিনের চরিত্রে অভিনয় করছি, যে নাগিনটি রাজকন্যারা বিপদে পড়লেই উদ্ধার করবে এবং তাদের আশ্রয় দেবে। ভিন্ন কিছু চরিত্রে কাজ করার চেষ্টা করছি।”

 

এই ছবি ছাড়াও ড্যানি সিডাক এর ‘কাঁসার থালায় রুপালি চাঁদ’, দেলোয়ার জাহান ঝন্টুর ‘৫২ থেকে একাত্তর’ ছবিতে কাজ করেছেন মুনমুন। এ ছাড়া তাজু কামরুলের নতুন একটি ছবিতে খলনায়িকারূপে দেখা যাবে তাকে

 

উল্লেখ্য যে, মুনমুন অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ছিল ‘কুমারী মা‘। ২০১৪ সালে ছবিটি মুক্তি পায়।

ধূমপায়ীদের জন্য রীতিমত দুঃসংবাদ।  খুবসম্ভব আগামী দুমাসের মধ্যেই নতুন আইন বাস্তবায়নের মাধ্যমে সিগারেটের দাম বাড়িয়ে ফেলা হচ্ছে। তাও দশ টাকা বিশ টাকা নয়, প্যাকেট প্রতি ৮০০ টাকা ! হ্যাঁ, শুধু ২২০ টাকার এক প্যাকেট বেনসন সিগারেটের জন্যই আপনাকে গুনতে হবে দেড় হাজার টাকা !

সিগারেটের মূল্যতালিকা দেখতে এখানে ক্লিক করুন

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত নতুন বাজেট পরিকল্পনায় জানানো হয়েছে, ২০২৫ সালের মধ্যে দেশ থেকে সিগারেটসহ তামাকজাত দ্রব্য সেবনের অভ্যাস দূর করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। সে অনুযায়ী আগামী চার অর্থবছরে ধাপে ধাপে তামাক ও তামাকজাত পণ্যের ওপর কর বাড়িয়ে ৪৬ শতাংশ করা হবে। এ লক্ষ্য স্থাপনের প্রয়োজন অনুযায়ী এক প্যাকেট দামী সিগারেটের জন্য একজন ধূমপায়ীকে গুনতে হবে ৮০০ টাকার মত।

 

মোটকথা কমদামী কিংভা বেশি দামী যেকোনো সিগারেটের অপরই বসানো হবে ৭০% ট্যাক্স। অর্থা‍ৎ ১০ টাকার সিগারেট কিনতে আপনাকে খরচ করতে হবে ৭০ টাকা ! আগামী জুলাই মাসের শেষ দিকে চুক্তিটি সাক্ষরিত করা হবে বলে জানিয়েছেন মাদক দমন ও নির্মূল বিভাগের এক উর্ধতন কর্মকর্তা।

 

এছাড়া ২০১৯ সাল নাগাদ দূষণ সৃষ্টিকারী শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ভর্তুকি বন্ধেরও পরিকল্পনা করেছে সরকার। শুধু তা-ই নয়, এগুলোর ওপর করও বাড়ানো হবে বলে জানানো হয়েছে ওই পরিকল্পনায়।