Home / Latest News / বিস্ময়ের ‍নাম মহাশূন্য !

বিস্ময়ের ‍নাম মহাশূন্য !

মহাশূন্যের বিস্ময়কর কিছু অজানা তথ্য নিয়ে Newspaper1971 এর বিশেষ পোস্ট

 

মহাশূন্য নিয়ে আমাদের সবারই জানার আগ্রহের কোনো শেষ নেই। বিজ্ঞানীদেরও মহাশূন্যের নতুন অজানা তথ্য উদঘাটন চেষ্টার কোনো সীমা নেই। এই মহাকাশ জিনিসটা আসলে এতটাই বড় যে, মনেই হয় না কোনোদিন এটা নিয়ে রহস্যের শেষ হবে। এখন পর্যন্ত ঠিকমত অন্যকোনো গ্রহেই আমরা যেতে পারিনি।

তবে হ্যাঁ, মহাকাশের কিছু সাধারণ তথ্য আমাদের কাছে আছে যা রীতিমত একেবারে মাথা ঘুরিয়ে দেয়ার মত। আর এই ফ্যাক্টসগুলো নিয়েই নিউজপেপার১৯৭১ ডটকম এর আজকের এই আর্টকেল। অনেক তথ্য হয়ত অনেকেরই জানা। তবে আমাদের এই বিজ্ঞান বিভাগটি ছোট বড় সবার জন্য উন্মুক্ত সাধারণ জ্ঞানের ভান্ডার,  এটা মাথায় রেখেই আর্টিকেলটি পাবলিশ করা হয়েছে। ইউ নো, জ্ঞান জিনিসটা মহাশূন্যের মতই অসীম।

 

তাহলে জেনে নেয়া যাক মহাকাশ নিয়ে কিছু বিস্ময়কর তথ্য –

১. সূর্যের আয়তন পৃথিবীর চাইতে তিন লক্ষগুন বেশী। পৃথিবী সূর্যের কাছে একটা বিন্দুর মতই বলা যায়।

২. হলির ধূমকেতু শেষবারের মত দেখা যায় ১৯৮৬ সালে। ২০৬১ সালে যদি আমরা বেচে থাকি তাহলে এই ধূমকেতু আবার দেখতে পারব। সেক্ষেত্রে আপনারা আপনাদের ক্যামেরা রেডি রাখতে পারেন।

৩. অনেক বিজ্ঞানীদের মরে এস্টরেয়েডের কারনেই ৬৫ মিলিয়ন বছর আগে ডাইনোসরদের পুরো প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল।

৪. ভেনাস হলো সৌরজগতের সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহ যার ভূ-পৃষ্ঠের তাপমাত্রা ৪৫০ ডিগ্রী সেলসিয়াসেরও বেশি।

৫. মানুষের তৈরী কোনো বস্তু সর্বপ্রথম মহাকাশে পাঠানো হয় ১৯৫৭ সালে। এটি ছিল একটি রাশিয়ান স্যাটেলাইট, যার নাম ‘স্পুটনিক’।

৬. শুধু যে শনি গ্রহের চারিদিকে বলয় আছে তা কিন্তু নয়। বৃহষ্পতি, ইউরেনাস এবং নেপচুন গ্রহেরও বলয় আছে তবে সব সময়ের জন্য না।

৭. নভোচারিরা চাঁদে যে ফুটপ্রিন্ট এবং টায়ারের দাগ রেখে এসেছেন তা থেকে যাবে চিরজীবন কারণ চাঁদে কোনো ধরনের বাতাস নেই যা মুছে যাবে।

৮. লো গ্র্যাভিটির কারনে ২০ পাউন্ড ওজনের একজন মানুষের মঙ্গলগ্রহে ওজন হবে ৭৬ পাউন্ড।

৯. ইউরেনাস হলো একমাত্র গ্রহ যা একটি ব্যারেলের মত পাশাপাশি ঘুরতে থাকে। আর উল্টোদিকে ঘুরে হলো ভেনাস।

১০. পৃথিবীর চাইতে চাঁদে অনেক বেশী দাগ বা অসমতল জায়গা দেখা যায় কারন চাঁদে অনেক ধরনের প্রাকৃতিক ব্যাপার ঘটতে থাকে অনবরত যেখানে পৃথিবী রিফর্ম করছে নানা ধরনের আবহাওয়া জনিত কারনে যেমন ভূমিকম্প, ঘর্ষন, বৃষ্টি, ঝড় বা গাছপালা। চাঁদে আবহাওয়ার দিক থেকে তেমন কোন এক্টিভিটি নেই বললেই চলে।

১১. বৃহস্পতি গ্রহের সবচেয়ে বড় চারটি চাঁদের নাম হলো ইউরোপা, গ্যানিমিড, ক্যালিস্টো এবং লো।

১২. চাঁদ এবং সূর্যের গ্র্যাভিটির কারণে আমাদের পৃথিবীতে জোয়ার-ভাটা হয়।

Share with your friends !

Leave a Reply

[X]